Wednesday , October 23 2019

প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই প্রনাম করুন এই দেবতাকে! থাকবেনা কোনো অর্থ সমস্যা, কোনো রোগ….

প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে প্রায় সকলেরই মনে হয়, দিনটা ভালো যাবেতো? কোনো বিপদআপদ হবেনাতো? সবাই সুস্থ থাকবেতো? অনেকেই ঘুম থেকে উঠে আগে এই চিন্তাটাই করেন।

অনেকে আবার দেবদেবীর মুখ দেখে ঘুম থেকে ওঠেন, অনেকে আবার ঘুম থেকে উঠেই মা বাবাকে প্রনাম করে ওঠেন, যাতে দিন ভালো যায়, আবার অনেকের মতে প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম এর মাধ্যমে দিন শুরু করলে দিন ভালো যায়!

কিন্তু তন্ত্র বা সাধনাযোগ থেকে শুরু করে মহান পন্ডিতেরা কি বলছেন জানেন? তাদের মতে প্রত্যহ যদি এই দেবতার মুখ দেখে ঘুম থেকে ওঠা যায় সাথে এই দেবতাকে ভক্তিভরে প্রনাম করে যদি ঘুম থেকে ওঠা যায় তাহলে আপনার দিন অবশ্যই শুভ হবে।

তবে আসুন জেনে নেই আসল বিষয়টি!

হ্যা , এই দেবতাকে ভক্তিভরে প্রনাম করে যদি আপনি আপনার দিন শুরু করেন তাহলে অবশ্যই আপনি ফল পাবেন, আপনার দিন শুভ হবেই,

আর সেই দেবতা হচ্ছে সূর্য দেব! সূর্য দেবকে দর্শন করে ভক্তিভরে প্রনাম করে যদি আপনি আপনার দিন শুরু করেন তবে আপনার সারাদিনটি খুবই ভালো কাটবে।

ব্যাবস্থার জীবনে আমাদের সময় খুব কম, কিন্তু সেই ব্যস্ততার ভিতরেই যদি আপনি একটু সময় বের করে রোজ ভক্তিভরে সূর্যদেবকে প্রনাম করে দিন শুরু করেন তাহলে আপনার দিন শুভ হবেই।

সনাতন ধর্ম অনুশারে যে পঞ্চদেবের পূজার কথা আমাদের সকল পূজার আগে করা হয় তার মধ্যে অন্যতম হলো সূর্যদেব!

আসুন এবার তাহলে জেনে নেই প্রতিদিন সকালে উঠে কিভাবে সূর্যদেবের পূজা করবেন, তাহলে ফল পাবেন হাতেনাতে

1. সাত ঘোড়ার রথে সাওয়ার সূর্যদেবের ছবি বাড়ির পূর্বদিকের দেওয়ালে লাগিয়ে রাখুন, ঘুম থেকে ওঠার পর কাজ শুরু করার আগে ওই মূর্তিটি দর্শন করে ভক্তিভরে প্রনাম করুন।

2. আপনি যদি রোজ ভোরবেলায় উঠে পূর্ব দিকে সূর্যদেবের দিকে তাকিয়ে ভক্তিভরে জোড়হাত করে প্রনাম করেন, তাহলে ভালো ফল মিলবে।

তবে শুধু প্রনাম নয়, এর সাথে এই নিয়মগুলি মেনে চলুন, তাহলে কর্মক্ষেত্রে সফলতা পাবেন, দূর হবে অন্যান্য বিভিন্ন সমস্যা

1. তামার পাত্রে গঙ্গা জল ভরে তার মধ্যে লাল ফুল, লাল চন্দন, দূর্বা, তুলসিপাতা , আতপচাল নিয়ে রোজ স্নান করে উঠে সূর্যদেবকে অর্পণ করুন।সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

2. পূর্বদিকে মুখ করে এই অর্ঘ্য সূর্যদেবকে দান করুন ভক্তিভরে, এবং দান করতে করতে এই মন্ত্র পাঠ করুন

“নম বিবস্যতে ব্রহ্মন্য ভাষ্যতে, বিষ্নু তেজসে জগৎসবিত্রে সুচয়ে কর্মদায়িনে ইদম অর্ঘ্যম নম শ্রী সূর্য দেবায় নম”

এরপর উক্ত মন্ত্রে সূর্যদেবকে প্রনাম করুন

“নম জবাকুসুম সঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম, ধান্তারিং সর্বপাপ্নন্যং প্রনতোষ্মি দিবাকরম”

উক্ত মন্ত্র বলে প্রনাম করুন।

আপনি উপকৃত হলে অবশ্যই অন্যদের দেখার জন্য শেয়ার করুন ভক্তি সহকারে। ধন্যবাদ ।

নীচের তথ্যটি পড়ুন

মাত্র ১০ থেকে ১৫দিনে কিডনিতে জমা পাথর দূর করুন প্রাকৃতিক ঘরোয়া উপায়ে
কিডনিতে পাথরের সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে ঔষধে সেরে যায়, অনেক ক্ষেত্রে পাথর ভেঙে বের করতে হয়, আবার বড় পাথর বা অবস্থা গুরুতর হলে অপারেশনও করতে হয়। কিন্তু কিছু প্রাকৃতিক উপায়ে সেটা অনেকসময় সমাধান করা সম্ভব।

তাই আজ সবাইকে জানাতে চাই কিডনিতে পাথর সমস্যা প্রতিকারের জন্য সত্যিকার ভাবে কার্যকরী ও ফলপ্রসূ একটি রাশিয়ান ভেষজ রেসিপি। এই রেসিপিটি কিডনিকে পরিষ্কারে সাহায্য করে, মিউকাস নিঃসরণে এবং বালি ও ছোট ছোট পাথর বের করে দিতে সাহায্য করবে মাত্র ১০-১৫ দিনে।

millet বা “বাজরা” হচ্ছে একপ্রকার সাশ্রয়ী খাদ্যশস্য যা কিডনিতে থাকা পাথর অপসারণের চিকিৎসায় এর ভূমিকা অসামান্য। অনেকেই হয়তো একে চেনেন না, অনেকে আবার পাখির খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করেন। এই বাজরা দিয়ে রুটিও তৈরি করা যায়। অনেকেই দাবি করে যে এই বাজরা কিডনির সমস্যা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

গ্রাম্য ঔষধে এই বাজরা urolithiasis রোগের (প্রস্রাবের সাথে পাথর বের হয়ে ইউরিনারী সিস্টেমে সমস্যার সৃষ্টি করে যে রোগে) সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক সমাধান হিসেবে কাজ করে। এছাড়া এটা কার্যকরী ভাবে কিডনিকে পরিস্কার করে, বালি ও বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়, কিডনি ও মুত্রাশয়ের ছোট ছোট পাথর বের করে দেয় এবং মহিলাদের cystitis রোগের চিকিৎসায় সাহায্য করে। এছাড়া এই জোয়ার হচ্ছে উচ্চ পুষ্টিমান ও ঔষধিগুণ সম্পন্ন এক বিশেষ ধরনের খাদ্যশস্য।

কিডনিতে থাকা পাথর দূরীকরণের পদ্ধতি

২০০ গ্রাম (১ কাপ) বাজরা নিয়ে কুসুম গরম পানিতে খুব ভালো ভাবে ধুয়ে রাখতে হবে। এটা করতে হবে রাতের বেলা তাহলে ভালভাবে ভিজবে। তারপর সেই ভেজানো বাজরাগুলো ৩ লিটার ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন একটি পাত্রে নিয়ে এর ২/৩ অংশে ফুটন্ত গরম পানি দিতে হবে এবং পাত্রটির মুখ খুব ভালো ভাবে বন্ধ করে একটি কাপড় দিয়ে ঢেকে সারারাত রেখে দিতে হবে।

পরদিন সকালে পাত্রটিতে একধরনের সাদা ঘোলাটে তরল পাওয়া যাবে। এটাই হচ্ছে সেই কাঙ্খিত ঔষধ। এখন এই পানিটি অন্য একটি পাত্র বা বোতলে নিয়ে নিন এবং সারাদিন যেকোনো সময় যেকোনো পরিমাণে পান করুন কোন বাধা নিষেধ ছাড়াই।

আর বাজরা গুলো ফেলে না দিয়ে পরিজ রান্না করে সকালের সকালের স্বাস্থ্য সম্মত নাস্তা হিসেবে খেতে পারেন। এক কাপ বাজরার সাথে ৩ কাপ পানি দিয়ে ১৫ মিনিট ফুটালেই তৈরি হয়ে যাবে সকালের নাস্তা। প্রতিদিন রাতে আবার পরবর্তী দিনের জন্য নতুন করে বাজরার পানি তৈরি করে রাখুন একই প্রক্রিয়াতে।

এভাবে প্রত্যাশিত ফলাফল পেতে ১০-১৫ দিন নিয়মিত এই পানীয়টি খেতে হবে। এই ১০-১৫ দিনের মাঝে কিডনি পরিস্কারের পাশাপাশি এতে থাকা পাথর নরম হয়ে গলে প্রসাবের সাথে বেড়িয়ে যাবে। তখন কিডনিতে থাকা বালি, মিউকাস বা পাথরই বলেন সব দূর হয়ে তখন তা ইতিহাস হয়ে যাবে। ফোলা কমে গিয়ে কিডনী ও মূত্রতন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গগুলো সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিয়ে আসবে।

এই খাদ্যশস্যটি প্রতেকের জন্য প্রযোজ্য, সাশ্রয়ী এবং সহজলভ্য এবং এটি যদি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যুক্ত করা হয় তবে তা অবশ্যই কিডনির জন্য স্বাস্থ্যকর হবে। যেকোনো রোগের ক্ষেত্রেই প্রতিরোধ প্রয়োজন বিশেষ করে শরীরের সম্ভাব্য রোগ এড়ানোর জন্য এবং প্রাকৃতিক উপায়ে একে পরিষ্কার রাখার জন্য।

এছাড়া লেবু এবং জলপাই তেলের মিশ্রণ তৈরি করে খেলে তা পিত্তথলি এবং কিডনির পাথর গলাতে সাহায্য করে।
লেখক

তথ্য ও ছবি: সংগৃহীত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *